রোহান বিল্লা


রোহান বিল্লা

     রোহান বিল্লা

   লেখিকা:ইসরাত ইমরোজ
 

রোহান বসে আছে।বাবা মার একমাত্র পুত্র সন্তান।একটা ছোট বোনও আছে।পুরা নাম রোহান বিল্লা  রোহানের সাথে দুই বন্ধু রিহান আর সজিবও বসে আছে।
রোহান বললো,"কার যে প্রেমে পড়লাম রে?"
রিহান বললো,"কার প্রেমে?"
রোহান বললো,"ঐযে সামনের বাড়ির রামিশার ভালোবাসি।"
সজিব বললো,"তাহলে একটা কাজ কর রক্ত দিয়ে চিঠি লিখে দে ।" 
রোহান বললো,"হুমম রক্ত দিয়ের চিঠি লিখে দিবো।"

রামিশা কাছে আসতেই রোহান রামিশার সামনে গেলো।
রোহান বললো,"তোমাকে আমি ভালোবাসি।এইযে চিঠি।হাত কেটে রক্ত দিয়ে চিঠি লিখছি । " 
রামিশা বললো"এমা তুমি আমার জন্য সত্যি তোমার হাত কেটে রক্ত দিয়ে চিঠি লেখছো।"
রোহান হাত দেখিয়ে বলল,"হুমম ।এই দেখো হাতে ব্যান্ডেজ."
রামিশা বললো,"কিন্তু এতে তো গরুর রক্ত রক্ত গন্ধ মনে বের হচ্ছে।" 
রোহান বললো,"গরুর রক্ত কেন?আমি তো আমার হাত কেটে লিখছি।তোমার বিশ্বাস হয় না।"
"ওমা কি সুন্দর তুমি আমায় এত্ত ভালোবাসো ।"
"হুমম খুব ভালোবাসি।"
"আচ্ছা চিঠিটা নিয়ে গেলাম।পড়বনি হ্যা।এখন আমি যাই বাই। "
"বাই জানু ।"

 

রামিশা চলে গেল।রিহান আর সজিব কাছে আসলো।রিহান বললো,"ভালোই তো মিথ্যা বানিয়ে বললি।" সজিব বললো,"গরুর রক্ত দিয়ে চিঠি লিখে বলিস নিজের হাত কেটে ।"
রোহান বললো,"আরে সে তো বুঝেনি।বুঝলে একটা কথা ছিলো।যাক বানিয়ে বলেছি।হাত কেন কাটতে যাবো?" 
সজিব বললো,"হুমম এখন দেখ কি করে রামিশা।"

রামিশার বান্ধবী নীলা এইদিক দিয়ে যাচ্ছিল ।সবই শুনে ফেললো।আর দেখলো রোহানের হাতে ব্যান্ডেজও নেই।নীলা তাড়াতাড়ি রামিশার কাছে গেলো।রামিশা বললো,"কি হয়েছে রে নীলা?"
"কি হয়েছে আর বলিস না।"
"কেন ?"
"ওই রোহান কি করেছে জানিস।"
"না তো।"
"রক্ত দিয়ে লেখা চিঠি পড়েছিস?" 
"হুমম পড়েছি ।" খুবই রোমান্টিক ।"
"ওটা কিসের রক্ত ছিলো জানিস?"
"সেতো হাত কেটে রক্ত দিয়ে লিখেছে?" 
"মোটেও না হাত কাটেনি । " 
রামিশা অবাক হয়ে গেলো।বললো,"তাহলে!!" 
"ওটা গরুর রক্ত ছিলো । মোটেও না হাত কাটেনি ।" 

রামিশা অবাক হয়ে গেলো।বললো,"তাহলে!!"
"ওটা গরুর রক্ত ছিলো।"
"রামিশা অবাক হয়ে বলল,"সত্যি বলছিস তো।" 
নীলা বললো,"আরে আমি নিজের কানে শুনছি নিজের চোখে দেখছি তার হাতে ব্যান্ডেজ নাই।"
"শালা কুত্তা শয়তান এত্ত বড় মিথ্যা কথা বললো তাকে আমি কাকের মাংস খাওয়াব।"
"সত্যি কাকের মাংস খাওয়াবি!!" 
"হুমম কবুতরের নাম করে হিহিহিহি ।"

 

রোহান ,সজিব,রিহান রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে।রামিশা পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।
রামিশা রোহানের কাছে যেয়ে বললো,"আমি তোমাদের দাওয়াত দিতে এসেছি।তোমার আমার বাসায় কবুতরের মাংস দিয়ে ভাত খেও।আজ দুপুরে চলে এসো।"
রোহান বললো,"সত্যি বলছো তো দাওয়াত দিলে ।"  

 "আরে সত্যি বলছি তো ।চলে এসো দুপুরবেলা।"

 

রোহান ,সজিব আর রিহান দুপুরে রামিশাদের বাড়িতে খেতে আসলো।
রোহান বললো,"কে রান্না করেছে?" 
রামিশা বললো ,"আমি করেছি।কেন ভালো হয়নি ।" 

"হয়েছে কিন্তু এরকম কবুতরের মাংস কখনো খাইনি।একটু অন্যরকম।" 
"ওহ ।"
 

তাদের খাওয়া শেষ।চলে গেল সবাই। নীলা আর রামিশা জানালার ধারে বসে গল্প করছে।এইদিক দিয়ে আবার রিহান যাচ্ছিল।নীলা আর রামিশার কথা শুনে থেমে গেল।লুকিয়ে লুকিয়ে শুনতে লাগলো। 
 

রামিশা বললো,"দেখ তারা বুঝেইনি যে আমরা তাদের কাকে মাংস খাওয়াছি।" 
"হুমম বুঝলে কি খেত।হুমম বুঝলে কি খেত?"
"শালা হারামি গরুর রক্ত দিয়ে চিঠি লিখে বলে হাত কেটে লিখছে।দেখ মজা কাকের মাংস খেয়ে।"
"হিহিহি।" 
রিহান এই কথা শুনে তাড়াতাড়ি রোহানের কাছে গেলো।সজিবও ছিলো।
রোহান বললো,"কি হয়েছে তোর ।"
রিহান হাঁফাতে হাঁফাতে বললো,"তখন আমরা কবুতরের না কাকের মাংস খেয়েছ।"
রোহান বললো,"কি বলছিস কি এসব ।" 
রিহান বললো,"আমি নিজের কানে শুনছি তারা এই কথা বলছে।" 
সজিব বললো,"হাই আল্লাহ কাকের মাংস খেলাম ।"
"হুমম।" 
 

পরদিন রোহান ভাবলো আম গাছে উঠেই আম খাবে।তাই একা একা খেতে লাগলো।কিন্তু এর মাঝেই মালিক এসে গেল।মালিক খুবই কড়া।একবার দেখলে মেরে তক্তা বানিয়ে দিবে।তাই রোহান গাছেই বসে আসলো।কিন্তু মালিক যায় না।এদিকে রোহানের হিসু আসলো।কি করবে এখন । মালিক যায় না।রোহান মালিকের ওপর হিসু করে দিলো।মালিক ভাবলো ওপর থেকে কিসের পানি পড়লো।রোহান পাতার আড়ালে লুকিয়ে গেল যেন মালিক দেখতে না পায়।মালিক এদিকে ভাবলো এত গন্ধ কিসের।ওপরে কাউকে ঠিকভাবে দেখতে না পেয়ে চলে গেল।রোহানও নীচে নেমে এলো।
 

রিহান কাছে এসে বললো,"হিহিহিহি হিসু করেছিস ।" 

"হিসু এসেছে তাই করেছি ।" 
  

এই হলো রোহান বিল্লার সংক্ষিপ্ত গল্প

 


fe
তিনি এই গল্পটি পছন্দ করেছেন ।

১টি মন্তব্য

fe

fe

এক বছর আগে

🤣🤣🤣 জোস শেষের অংশটা সেই ছিল🤣🤣


মন্তব্য লেখার জন্য আপনাকে অবশ্যই লগ ইন করতে হবে


আপনার জন্য

Birthday যখন Foolday!!🎶

Birthday যখন Foolday!!🎶

 Birthday  যখন Foolday🎶...

তুমি অন্যনা (শেষ পর্ব)

তুমি অন্যনা (শেষ পর্ব)

রনি সেখানে যেয়ে ইসরাতকে ...

আমি (পর্ব৫)

আমি (পর্ব৫)

বিচিত্র পৃথিবীর মাঝে বেঁ...

অ্যাক্সিডেন্ট

অ্যাক্সিডেন্ট

অ্যাক্সিডেন্ট আজ আমি ভীষ...

তুমি অনন্যা (পর্ব ০২)

তুমি অনন্যা (পর্ব ০২)

            তুমি অনন্যা ...

সপ্ন যখন হ য ব র ল

সপ্ন যখন হ য ব র ল

আমি এখন বিয়ে বাড়িতে বাল্...

লায়লা

লায়লা

"তুমি ছুয়ে দিলে হায়, কিয...

নীল দ্বীপ (পর্ব ৬)

নীল দ্বীপ (পর্ব ৬)

পরদিন সকালে শুভ্র আর মৃন...

কবরস্থানের মাঠে একরাত

কবরস্থানের মাঠে একরাত

কবরস্থানের মাঠে একরাত লে...

যখন সন্ধ্যা নামে

যখন সন্ধ্যা নামে

প্রতিদিন যখন সন্ধ্যা নাম...

ছোটগল্প

ছোটগল্প

আমি গল্প লিখি। তবে লেখক ...

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া

❝বহু দিন ধরে, বহু ক্রোশ ...

নীল দ্বীপ (পর্ব৩)

নীল দ্বীপ (পর্ব৩)

নীল দ্বীপ পর্ব ৩ মৃন্ময় ...

ডাবল জিরো

ডাবল জিরো

অংক পরীক্ষায় একেবারে দুট...

নাম হীন গল্প - প্রথম অংশ

নাম হীন গল্প - প্রথম অংশ

কিছু গল্পের কোনো নাম থাক...

কে ছিল???

কে ছিল???

আমি আগে ৯ -১০ টার মধ্যেই...

পরীক্ষার পূর্বদিন

পরীক্ষার পূর্বদিন

সারাবছর ভালো করে পড়েনি প...

অর্পন

অর্পন

ভোরের সূর্য উঠার ঠিক আগ ...

শুভ্র ও রাইসা

শুভ্র ও রাইসা

বিকাল বেলা বাহিরে মেঘ ডা...

মিঠু

মিঠু

  আমি মিঠু। পুরো নাম মিঠ...